৬। খোঁজ .......... ।। দুপুরে বসেবসে জোনাকি খুব একঘেয়ে বোধ করছিল । বর পাশের ঘরে ঘুমোচ্ছে । মেয়ে নিজের মত কম্পিউটারে ফেসবুক করছে । এই সময় কেউই তাকে পছন্দ করে না । রোজ দুপুরে সেও ঘন্টা খানেক ঘুমোয় । কিন্তু আজ ঘুম উধাও । কম্পিউটারের কি বোর্ডের শব্দে কিছুটা নিঃসঙ্গতা কাটে কিন্তু আর একটু পরে মেয়ে টিউশন ক্লাশে চলে যাবে । তখন আর কোন শব্দই থাকবে না । একমাত্র ভরসা দূরে মাঠের ওপারে সেই উঁচু চিমনিটা । কয়েকটা বড় গাছ , আর কিছু না । সে মেয়েকে বলে , তোরা কি করে ফেসবুক করিস আমাকে শিখিয়ে দে তো ! আমি দেখব । - তোমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে নাকি ? - হ্যাঁ । অশোক আঙ্কেলকে বলেছিলাম , অ্যাকাউন্ট করে দিয়েছে । - বেশ । তোমার পাশওয়ার্ড বল । - পাশওয়ার্ড ? ওসব জানি না । - আঙ্কেলকে জিজ্ঞাসা করো । নাহলে খোলা যাবে না । সে ঘড়ি দেখল । দুপুর আড়াইটে । এইসময় ফোন করলে অশোক কি বিরক্ত হবে ? এখন কোথায় আছে তাও জানা নেই । তবু সে ফোন করল । বলা মাত্রই পাশওয়ার্ড বলে দিল অশোক । উলটে হাল্কা প্রশ্ন করল - অ্যাকাউন্ট তো সেই কবে খোলা হয়েছে , এর মাঝে আর দেখেন নি নাকি ? বেমালুম মিথ্যে কথা বলে দেয়...
Popular posts from this blog
১৪। দাদাগিরি.........।। দুপু র থেকেই খবরটা ছড়াচ্ছিল। সন্তোষ ঝা বাপি পরমানিককে বলল , জানিস তো ... বাপি ইসমাইলকে বলে, জানো, কী সাঙ্ঘাতিক খবর ... ইসমাইল সুভ্রাঙ্গিকে বলল, জানেন দিদি ... সুভ্রাঙ্গি ব্যানার্জিসাহেবকে জিগেস করল, স্যার খবরটা কী সত্যি? এমনি করে এক ঘন্টায় সমস্ত কারখানা জুড়ে খবর ছড়িয়ে যায় । তার পরের ঘণ্টায় বাড়ি থেকে ফোন আস্তে শুরু করে, কারখানা নাকি বন্ধ হয়ে যাবে? - কে রটাচ্ছে এইসব আজেবাজে কথা ? - অঞ্জন আঁকা শেখাতে এসেছিল, ও বলল। - অঞ্জন আজকে ডিউটি যায়নি? - না। ওরতো অনেক দিনই কাজ নেই। তোমাদের কি সব হচ্ছে যাতে ছোট কন্ট্রাক্টারের হাতে আর কাজ থাকছে না। - হাঁ। একটা বড় কন্ট্রাক্টে বেশী কাজ থাকলে সুবিধা। সুপারভাইজ করার সুবিধা বেশী আর খরচাও কম। - অঞ্জন বলল ওদের কন্ট্রাক্টারের আণ্ডারে মোট পাঁচটা লোক। ওদের কারো আর কাজ নেই। ঐ লোকগুলো খাবে কি তোমা...

Comments
Post a Comment